1. ashton_hobson@mstreetyoga.com : ashtonhobson10 :
  2. admin@dainikfatikchhari.com : ForkanMahmud :
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদ তহবিল হতে নানুপুর পালি কলেজে দু’লক্ষ টাকা সমমূল্যের শিক্ষা সামগ্রী প্রদান ফটিকছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্দ্যোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৭৪ তম জন্মদিন পালিত ফটিকছড়ি আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্ম দিনে সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর শুভেচ্ছা হারানো মোবাইল উদ্ধার করল ফটিকছড়ি থানা পুলিশ মৌলিক সংবাদ প্রকাশে সিটিজি সংবাদ অনন্য প্রতিনিধি সভায় বক্তারা অ্যাটর্নি জেনারেলের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শোক ছাত্র সমাজ উন্নয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত প্যানেলের অভিষেক সম্পন্ন সোশ্যাল ক্লাবের রক্তদান কর্মসূচিতে – প্রবাসীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ জুমার দিনে- মুস্তফা মানিক

ads

হীরার সন্ধানে ওরা চারজন-আদনান হোসাইন

এডিটর-দৈনিক ফটিকছড়ি
  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২০
  • ১০৫ বার

যাইহোক। চারজন ব্যাক করে চলে আসল ম্যাপ নিয়ে। প্রফেসরের কথা শোনে ইমরান আর শাহাদাত কাপতে থাকে। কারণ এইসব করেনি জিবনে তাও অন্য একটা দেশে।

তালিম আর ইমনের জন্য ব্যাপার না। কারণ তারা ট্রেইনিংয়ে অভ্যস্থ। তালিম প্যারা কমান্ডোতে সর্বোচ্চ সম্মান অর্জন করেছিল। হার্ড অপারেশন গুলো সে পরিচালনা করে আসছিল গত দুইবছর ধরে। আর ইমন সাহসিকতার সাথে এবং বুদ্ধমত্বা দিয়ে মরন কাধে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

ঐদিক ইমরান আর শাহাদাত ভয়ে থর থর করে কাপছে প্যারানর্মাল ফরেস্টের নাম শোনে। যাইহোক ইমন আর তালিম যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। এদিকে শাহদাত আর ইমরান ভাবতে থাকে। তালিম আর ইমন বের হবে এমন সময় ইমরান আর শাহাদাত “” কোথায় যাচ্ছিস??? আমরাও যাব সাথে “”
তালিম আর ইমন অট্টহাসি দিয়ে ওঠল। ইমন অট্টহাসি মুখে নিয়ে “” নারে তুরা পারবিনা। তুদের জন্য এই কাজ আসেনি। আমরা একটা কাজে যাচ্ছি বলতে পারিস ইনভেস্টিগেটরের কাছে “”
ইমরান চোখ বড় করে “” কিসের ইনভেস্টিগেট র””
তালিম একটু বিরক্ত হয়ে “” আরে ভাই প্যারানর্মাল ইনভেস্টিগেটর। কারণ আমাদের কিছু আইডিয়া প্রয়োজন। যেমন তুই বিজনেসে নামার আগে আইডিয়া নিয়ে ছিলি ব্যাক্তি বা কোনো সংস্থা থেকে। ঠিক ঐরকম আইডিয়া প্রয়োজন। না হলে ঠিকে থাকব কেমনে???? “”

তালিমের সলেড উওরে ইমরান আর শাহদাতের আগ্রহের পরিমাণ বেড়ে গেল। শাহদাত আগ্রহ নিয়ে “” আমরাও যাব। দেখি কি হয়। “”
তালিম আবারো বিরক্ত হয়ে “” বলদা যাবি ত বসে থাকবি নাকি? “”
চারজনে বেড়িয়ে গেল। তালিমের কাছে ইমরানের লাক্সারি মার্সেটিজের চাবি ছিল। স্টার্ট দিতে যাবে এমন সময় ইমরান দৌড়ে এসে “” থাম থাম আমার গাড়ি তুই আর চালাইসনারে ভাই। একটা পার্ট নষ্ট হলে বাইরে থেকে কিনতে হবে।তুই তুর মিলিটারি ট্যাংকের মত যে ভাবে মুভ করিস আমার স্টিয়ারিং ভেংগে চুরমার হয়ে যাবে। “”

ইমন এগিয়ে এসে “” ভাই এখনো শুদ্রাবিনা???? আর কত ফুতাই করবি?””
(চিটাগাং ভাষায় ফুতা আর শুদ্ধ ভাষায় হার কিপ্টা)
ইমনের কথা ইমরানের গায়ে লাগে। এবং চুপ হয়ে গাড়িতে বসে পড়ে। অবশেষে পৌছে গেল ইনভেস্টিগেটর আদনানের কাছে। আদনান তালিমকে দেখে খুশি হয়। কারণ দুইজনিই একই পালের মহিষ অর্থাৎ ইন্জিনিয়ার। কেউ ইন্জিনিয়ারিং পড়ে আর্মি অফিসার আবার কেউ প্যারানর্মাল ইনভেস্টিগেটর।
তালিম খুশি মনে “” কি রে দুস্ত??? কি খবর?? “”
“” হ্যা দুস্ত ভাল। তবে এত বছর পর কি মনে করে??? বিয়ের কার্ড দিতে আসলি নাকি? “”
“”কিযে বলিস। আর্মিতে

জয়েনের পর বিয়ে করার চিন্তা শেষ। কখন যে শএুর গোলি এই শরীর ভেদ করে তার ঠিকানা নাই। আর তুই বলছিস বিয়ে। আমি আসলাম একটা মিশনে যাচ্ছি…. কি মিশনে বলতে পারছিনা তবে আমার কিছু বুদ্ধি প্রয়োজন প্যারানর্মাল ব্যাপার সেপারে। “”
“” অবশ্যই কেন নয়…. বল কি জানতে চাস?? “”
“” কিভাবে বোঝতে পারব যে অশরীরীর অবস্থান আছে। এবং তাদের থেকে বাচার উপায় “”

আদনান কিছু ডিভাইস বের করল।তারপর ডিভাইস গুলো নিয়ে সংক্ষেপে ব্যাখ্যা শুরু
“” এইটা ই এম এফ ডিটেক্টর। ভৌতিক কোনো কিছু সামনে বা আশে পাশে থাকলে রেইটিং দিবে অর্থাৎ ই এম এফ উৎপন্ন হবে যার কারণে রেটিংটা দিবে।আর অশরীরী সামনে থাকলে তাপমাএা এদিকসেদিক হয় এইটা মেজার করার জন্য হচ্ছে এক্সটারনাল থার্মোমিটার। এইটা দিয়ে পুরো জায়গার তাপমাএা মেজার করে।
আপাতত এই দুইটা জিনিস লাগবে। এইগুলো সহজে বহণ করার যোগ্য “”

তালিমের এইগুলো সম্পর্কে পি এইচ ডি করেছে। যদিও প্রাতিষ্ঠানিক কোনো ফ্রুপ নাই।ডিভাইস গুলো নিয়ে আদনানের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে সোজা টিকেট কাউন্টারে।ইমরান আর শাহাদাত অবাক হয়ে গেল সামান্য ডিভাইসের কার্যক্রমের ব্যাখ্যা শোনে। এবং রাজি হয়ে গেল । ইমরান আগ্রহ নিয়ে “” দুস্ত অনেক কিছু দেখেছি কিন্তু এই সিচুয়েশন গুলো ফিল করিনি।

পরের দিন রাতেই ফ্লাইট।
যাইহোক এইসব মিশনে যেতে হলে অস্ত্র লাগে। কারণ প্রতিটি দেশেই সন্ত্রাসি থাকে।যারা ভিন্ন দেশিদের আটকে রেখে সম্পদ দাবী করে সরকারকে। তালিমের কিছু ইলিগেল অস্ত্র ছিল । ঐগুলো সহ নিল। কিন্তু অস্ত্র সরাসরি নিয়ে যাও যাবেনা। তবে এয়ারপোর্টে তার পরিচিত কেউ ছিল। তালিমকে দেবতার মত করে। কারণ যে তাকে হ্যাল্প করবে অস্ত্র গুলো নিয়ে যেতে…… তার স্বপ্ন ছিল আর্মিতে জয়েন দিবে। কিন্তু ভাগ্য খারাপ। যাইহোক এই এয়ারপোর্ট থেকে বেচে গেল কিন্তু ভ্যানিলাতে কড়াকড়ি পাহাড়ায়। ইমরান আগে থেকে তার নামকরা বিজনেস ম্যান বন্ধুকে বলে দেয় সাহায্যের জন্য। ভ্যানিলা থেকে বেচে গেল। ধরা খেলে ছুটতে পারবে কিন্তু ইমেজের ভয়ে চুরির আশ্রয় নিতে হল চারজনকে।

ইমরানের বিজনেস ম্যান বন্ধু ইমরানকে বোকা বলে কটুক্তি করল সবার সামনে । কারণ ইলিগেল অস্ত্রের অভাব নাই তার কাছে। এবং এই অস্ত্রের জন্য বিশাল রিক্স নিতে হল সবাইকে। যাইহোক তালিমের এই সম্পর্কে বুদ্ধি কাজ করেনি তখন। তারা সবাই হোটেলে শিপ্ট করল। রাত হতেই তালিমের বাড়ি থেকে কল। ঐপাস থেকে তার মা কাদো কাদো হয়ে “” বাবা তুর আপু অসুস্থ। তোহান আর তুর দুলাভাই তাকে হসপিটালে নিয়ে গেল। “”

তালিম টেনশনে কাত হয়ে ভাবতে থাকে। তালিমের বোনের নাম তানিয়া আর ভাইয়ের নাম তোহান। হঠাৎ ইমরান তার রুম থেকে তালিমের রুমে এসে “” দুস্ত মায়ের খুবি অসুখ হঠাৎ করে। “”
“” তালিমের মাথায় বারি খেয়ে যায় । একিসময়ে একই মোমেন্টে একই খবর। আশ্চর্য হওয়রি কথা। আর তালিম সামান্য বিষয় থেকে বড় কিছু আন্দাজ করতে পারে।।একে একে সবাই হাজির তালিমের রুমে।

সবারি একি অবস্থা। যাইহোক সবাই রাতটা কোনোমতে কাটিয়ে দিল। তারপরের দিন ভোরে উঠে সবাই যার যার বাড়ির খবর নেয়। সব কিছু নর্মাল এবং সবাই সুস্থ হয়ে গেল। তবে তালিম হয়ত কিছু আচ করতে পারছে।টুইন ফরেস্টে যাওয়ার আগেই এই অবস্থা গিয়ে কি হবে আল্লাহ জানে।

তালিম বুদ্ধি করে ই এম এফ ডিটেক্টর বেইর করে সাড়া হোটেল ঘুরতে থাকে। হঠাৎ একটা ৩০৩ নাম্বার রুমের সামনে আসতেই ডিটেক্টরের রেটিং বেড়ে যায়। তারমানে রুমটাতে সমস্যা আছে। তাই সে ইগনোর করে চলে আসে রুমে। পরে ম্যানেজম্যান্টের সাথে কথা বলে জানতে পারে রুমটা হন্টেড। আর এই রুমটা গত ৫ বছর ধরে বন্ধ।

যাইহোক রুমে এসে রেডি হয়ে গেল। দোকান থেকে প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে রওনা দিল হেলিকপ্টারে করে। সবাইকে ফরেস্টের ৪ মাইল আগে নামিয়ে দেয়। যাইহোক আস্তে আস্তে ফরেস্টের দিকে এগুতে থাকে। তালিমের হাতেই আছে সেই ডিটেক্টর এবং এক্সটারনাল থার্মোমিটার। ফরেস্টের দিকে যতই এগুচ্ছে থার্মোমিটারের রেটিং এবং ডিটেক্টরের রেটিং এক এক করে বাড়তে থাকে।
হঠাৎ পিছন থেকে……….

(স্পিডে টাইপিং মিস্টেক হবে তাই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।-(পর্ব-৩)

আপনিও শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরি আরো খবর...

ads

সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত কোন সংবাদ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের মানহানিকর হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে। সকল লেখার স্বত্ব ও দায় লেখকের
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbazafatikcha54
//graizoah.com/afu.php?zoneid=3460431