রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
দায়িত্ব পালনে সাফল্য, জেলা পুলিশের পুরস্কার পেলেন টিএসআই মফিজুল রক্তদানে সচেতনতা বাড়াতে গাড়িটানায় বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা, অংশ নিলেন ২৫০ জন নাজিরহাটে নিম্নমানের ইট ধরা পড়তেই কাজ বন্ধ, ঠিকাদারকে শোকজ বাবাভাণ্ডারীর খোশরোজ শরীফে লাখো ভক্তের নিরাপত্তায় মাইজভাণ্ডারে প্রস্তুতি সভা ফটিকছড়িতে টেকসই কৃষি উন্নয়নে ৩ দিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ ফটিকছড়িতে গ্যাসের অজুহাতে সিএনজি চালকদের বাড়তি ভাড়া আদায়! ‘হালদা বাঁচলে দেশ বাঁচবে’, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সরোয়ার আলমগীরের আহ্বান চট্টগ্রামে ইটভাটায় জ্বালানি কাঠ, টপসয়েল ব্যবহার বন্ধে কঠোর নির্দেশ আজিমপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মাওলানা আজিজুল করিম নতপাইন্দং আমতলে আরজেএসের প্রথম ডে-ফুটসাল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন

ফটিকছড়িতে তরমুজের বাম্পার ফলন, চাষ বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ

দৈনিক ফটিকছড়ি / ৫৪৫ ভিউ
আপডেট সময় : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২৬ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার উর্বর মাটিতে চার মাসের পরিচর্যার পর এবার তরমুজ ঘরে তোলার সময় এসেছে। চলতি মৌসুমে উপজেলার মোট ৪৭ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ করা হয়েছে, যা গত বছরের ২৭ হেক্টরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকদের মুখে এখন হাসি।

কৃষকেরা জানান, এ বছর ট্রপিল, বাংলালিংক, গ্রামীণ গ্লোরি, পাকিজা ও আহবাওয়া জাতের তরমুজের চাষ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া এবং সঠিক পরিচর্যার কারণে প্রতি হেক্টরে ৪০ থেকে ৪৫ টন পর্যন্ত ফলন পাওয়ার আশা করছেন তারা।

উপজেলার রোসাংগিরী গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ বেলাল বলেন, “মাটির উর্বরতা, সময়মতো সেচ ও সার প্রয়োগ এবং নিয়মিত যত্নের কারণে এবার তরমুজের ভালো ফলন হবে। বাজারে মানসম্মত ও মিষ্টি তরমুজ সরবরাহ করতে পারব বলে আশা করছি।”

গত কয়েক বছরে ফটিকছড়ি অঞ্চলে তরমুজ চাষে কৃষকদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। স্থানীয় কৃষি বিভাগ বলছে, মাটির গুণগত মান, উপযুক্ত জলবায়ু এবং উন্নত জাতের বীজ ব্যবহারের কারণে এ অঞ্চলে তরমুজ চাষ দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে।

ফটিকছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সালেক বলেন, “সঠিক পরিকল্পনা ও আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করায় কৃষকেরা ভালো ফলন পাচ্ছেন। এ ধরনের চাষ কৃষকের আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”

এদিকে বাম্পার ফলনের কারণে স্থানীয় বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তরমুজের সরবরাহ বাড়লে ক্রেতারা সুলভ মূল্যে মিষ্টি ও রসালো তরমুজ কিনতে পারবেন।

কৃষকেরা জানান, ভালো ফলন ধরে রাখতে নিয়মিত সেচ, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বছর তরমুজের গুণগত মান ও আকার নিয়েও তারা সন্তুষ্ট।

আগামীতে আরও আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে কৃষকদের। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ফটিকছড়িতে তরমুজ চাষের এই সফলতা স্থানীয় কৃষির সম্ভাবনাকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরেছে।

 

  1. সীরাত/১২ এপ্রিল,২৬


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ
Theme Created By ThemesDealer.Com