হাজারো মানুষের অশ্রু, শোক ও ভালোবাসায় চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা ফটিকছড়ি (দক্ষিণ) উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শেফায়াতুল ইসলাম সাব্বির।
শুক্রবার রাত ৯টায় ফটিকছড়ির নানুপুর সৈয়দপাড়াস্থ ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
জানাজার আগে ছাত্রসেনা ফটিকছড়ি (দক্ষিণ) উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মুন্নার সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় মহাসচিব স.উ.ম. আবদুস সামাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য পীরজাদা আল্লামা গোলামুর রহমান আশরাফ শাহ, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ আবদুর রহিম, কেন্দ্রীয় সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সচিব এনামুল হক সিদ্দিকী, কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সচিব ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আবু আজম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সভাপতি অধ্যাপক মীর আবদুর রহিম মুনিরী, সাধারণ সম্পাদক মাস্টার খোরশেদুল আলম, ইসলামী ফ্রন্ট ফটিকছড়ি (দক্ষিণ) উপজেলার সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার, যুবসেনা চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সভাপতি আলমগীর হোসেন, ইসলামী ফ্রন্ট নানুপুর ইউনিয়নের সভাপতি মুহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম, ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক হোসাইন, ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মুহাম্মদ ফরহাদুল ইসলাম, যুবসেনা ফটিকছড়ি (দক্ষিণ) উপজেলা সভাপতি আব্দুল্লাহ আল নোমান, ছাত্রসেনা ফটিকছড়ি (দক্ষিণ) উপজেলা সভাপতি কেএম মহিউদ্দিন এবং তাঁর চাচাতো ভাই সৈয়দ রানা।
স্মৃতিচারণে বক্তারা বলেন, দ্বীন ও ধর্মের প্রতি সাব্বিরের ছিল গভীর অনুরাগ। ছাত্রসেনার সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। তাঁর মৃত্যুতে সংগঠন ও স্থানীয় অঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয় বলে উল্লেখ করেন তাঁরা। একই সঙ্গে তাঁর মাগফেরাতের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।
সাব্বির ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানে শুক্রবার সকাল ১১টায় তিনি মারা যান।
জানাজার নামাজে ইমামতি করেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রেসিডিয়াম সদস্য পীরজাদা আল্লামা গোলামুর রহমান আশরাফ শাহ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর (উত্তর) সভাপতি মাওলানা আব্দুন নবী আলক্বাদেরী।
জানাজার নামাজে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা ও ছাত্রসেনার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।