নিজস্ব প্রতিবেদক
পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা যাওয়ার পর তারাবির সুরেলা তিলাওয়াতে জেগে উঠেছে ফটিকছড়ি। বুধবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে ইশার নামাজের পর খতমে তারাবি আদায়ের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের মাস।
উপজেলার বিবিরহাট বাজার কেন্দ্রীয় মসজিদ, পেলা কাজী মসজিদ এবং বাবুনগর মাদ্রাসা মসজিদ-এ ছিল মুসল্লিদের উপচে পড়া ভিড়। নামাজ শুরুর আগেই অনেকেই কোরআন তিলাওয়াত ও নফল ইবাদতে সময় কাটান। জায়গা সংকুলান না হওয়ায় অনেকে মসজিদের বারান্দা ও আঙিনায় কাতারবদ্ধ হয়ে নামাজ আদায় করেন।
বিবিরহাট এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আবদুল কাদের বলেন, “রমজানের প্রথম তারাবি আমাদের হৃদয়ে অন্যরকম প্রশান্তি এনে দেয়। আল্লাহ যেন আমাদের সঠিকভাবে রোজা পালনের তৌফিক দেন।”
পেলা এলাকার ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইদ্রিস জানান, “সারা বছর কাজের ব্যস্ততা থাকলেও রমজানে ইবাদতের পরিবেশ আলাদা অনুভূতি দেয়।”
বাবুনগর মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকার শিক্ষার্থী মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, “পরিবারের সঙ্গে তারাবি আদায় করতে এসে ভালো লাগছে। রমজান আত্মসংযম ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা দেয়।”
ইমাম ও খতিবরা বয়ানে সংযম, সহমর্মিতা ও মানবিক গুণাবলি চর্চার আহ্বান জানান। তারা বলেন, রমজান কেবল উপবাসের মাস নয়; এটি আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের সুবর্ণ সুযোগ।
তারাবির সুরে মুখর ফটিকছড়িতে নেমে এসেছে এক প্রশান্ত ধর্মীয় আবহ। মুসল্লিরা আশা করছেন, পবিত্র এই মাস সবার জীবনে রহমত ও কল্যাণ বয়ে আনবে।