শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে নিবন্ধনে দেশসেরা ফটিকছড়ি, জাতীয় পর্যায়ে সাফল্যের প্রত্যাশা এমপির ফটিকছড়িতে জাতীয় যুব দিবসে ৮ সংগঠন ও ৫ তরুণকে সম্মাননা ফটিকছড়িতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন, সঠিক নিয়মে হাত ধোয়ার আহ্বান সুন্দরপুরের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন, লাগাবে ৫০০ গাছের চারা নানুপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, ২ হাজার চারা লাগানো হবে দুই সড়কে বারমাসিয়া নন্দীপাড়ায় গীতা ও নৈতিক শিক্ষা নিকেতনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ফটিকছড়ি উপজেলা এনসিপির আহবায়ক কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত ৩ মাসের চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছেন সাংবাদিক আহমদ আলী, এখন ওষুধের খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তা ফটিকছড়িতে গণশুনানিতে মানুষের কথা শুনছেন ইউএনও সাঈদ ইব্রাহীম হাজারো মানুষের অশ্রু, শোক ও ভালোবাসায় চিরনিদ্রায় ছাত্রসেনা নেতা সাব্বির

ফটিকছড়িতে তরমুজের বাম্পার ফলন, চাষ বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ

দৈনিক ফটিকছড়ি / ৬০৪ ভিউ
আপডেট সময় : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২৬ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার উর্বর মাটিতে চার মাসের পরিচর্যার পর এবার তরমুজ ঘরে তোলার সময় এসেছে। চলতি মৌসুমে উপজেলার মোট ৪৭ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ করা হয়েছে, যা গত বছরের ২৭ হেক্টরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকদের মুখে এখন হাসি।

কৃষকেরা জানান, এ বছর ট্রপিল, বাংলালিংক, গ্রামীণ গ্লোরি, পাকিজা ও আহবাওয়া জাতের তরমুজের চাষ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া এবং সঠিক পরিচর্যার কারণে প্রতি হেক্টরে ৪০ থেকে ৪৫ টন পর্যন্ত ফলন পাওয়ার আশা করছেন তারা।

উপজেলার রোসাংগিরী গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ বেলাল বলেন, “মাটির উর্বরতা, সময়মতো সেচ ও সার প্রয়োগ এবং নিয়মিত যত্নের কারণে এবার তরমুজের ভালো ফলন হবে। বাজারে মানসম্মত ও মিষ্টি তরমুজ সরবরাহ করতে পারব বলে আশা করছি।”

গত কয়েক বছরে ফটিকছড়ি অঞ্চলে তরমুজ চাষে কৃষকদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। স্থানীয় কৃষি বিভাগ বলছে, মাটির গুণগত মান, উপযুক্ত জলবায়ু এবং উন্নত জাতের বীজ ব্যবহারের কারণে এ অঞ্চলে তরমুজ চাষ দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে।

ফটিকছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সালেক বলেন, “সঠিক পরিকল্পনা ও আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করায় কৃষকেরা ভালো ফলন পাচ্ছেন। এ ধরনের চাষ কৃষকের আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”

এদিকে বাম্পার ফলনের কারণে স্থানীয় বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তরমুজের সরবরাহ বাড়লে ক্রেতারা সুলভ মূল্যে মিষ্টি ও রসালো তরমুজ কিনতে পারবেন।

কৃষকেরা জানান, ভালো ফলন ধরে রাখতে নিয়মিত সেচ, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বছর তরমুজের গুণগত মান ও আকার নিয়েও তারা সন্তুষ্ট।

আগামীতে আরও আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে কৃষকদের। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ফটিকছড়িতে তরমুজ চাষের এই সফলতা স্থানীয় কৃষির সম্ভাবনাকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরেছে।

 

  1. সীরাত/১২ এপ্রিল,২৬


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ
Theme Created By ThemesDealer.Com