মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জনরায়ের পর আদালতের রায়ের অপেক্ষা শেষ হচ্ছে সরওয়ার আলমগীরের! মিলনমেলায় পরিণত হলো চবি ফটিকছড়ি স্টুডেন্টস্ এসোসিয়েশনের বনভোজন জামায়াতের মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় লন্ডনপ্রবাসী মাসুদুর রহমান কথাসাহিত্যে চসিকের স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা পাচ্ছেন জাহেদ মোতালেব ফটিকছড়ি পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে আলোচনায় লন্ডন প্রবাসী মাসুদুর রহমান! গায়ক-গায়িকা থেকে নায়ক-নায়িকা: ‘তুমি আমি শুধু’তে জুটি জেফার–প্রীতম মাওলানা মোহাম্মদ হোছাইন (রহ.) স্মৃতি মেধাবৃত্তির পুরস্কার বিতরণ ফটিকছড়িতে তরমুজের বাম্পার ফলন, চাষ বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ চা-শ্রমিকরা দেশের সম্পদ, তাদের জীবনমান উন্নয়ন জরুরি: ডিসি জাহিদ রাস্তা নাকি চাষের জমি!

এক সড়কে পাল্টে গেছে পিনপিনিয়া গ্রাম

দৈনিক ফটিকছড়ি / ৩১৩ ভিউ
আপডেট সময় : সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১:০৫ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিনিধি:

একটি সড়কের অভাবে দুর্ভোগের শেষ ছিল না গ্রামের মানুষের। ছেলেমেয়েরা ঠিকমতো স্কুল-কলেজ যেতে পারত না। বর্ষাকালে এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে যাওয়া ছিল রীতিমত দুঃসাধ্য। অপরদিকে জলাবদ্ধতার কারণে ঠিকমতো ফসল ঘরে তুলতে পারতেন না কৃষক। এবার সেখানে পাকা সড়ক নির্মাণে শেষ হয়েছে দুর্ভোগের দিন। বদলে গেছে গ্রামের আর্থ-সামাজিক চিত্র।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের প্রত্যন্ত গ্রাম পিনপিনিয়া। পিনপিনিয়া জামে মসজিদের সামনে থেকে সড়কটি শুরু হয়ে শেষ হয়েছে পিনপিনিয়া ছড়ার ক‚ল ঘেঁষে। গ্রামীণ সড়কটির দুই পাশে কয়েকশ বিঘা ফসলী জমি। সবুজ শ্যামলে ভরপুর এই গ্রামের চারপাশে উঁচুনিচু পাহাড়-টিলা বেষ্টিত। যার এক পাশে বহমান ফটিকছড়ি খাল। প্রায় দেড় কিলোমিটার এই সড়কটি নিয়ে দুর্ভোগ আর আক্ষেপের শেষ ছিল না এলাকাবাসীর। অপরদিকে কৃষক তাঁর কস্টে অর্জিত ফসল ঘরে তুলতে বেগ পেতে হতো। তবে, এবার শেষ হয়েছে সব দুর্ভোগ আর কষ্ট। কারণ, কাঁদামার্দ সড়ক পাকা হয়েছে। আর তাতেই পাল্টে গেছে বড়বিল, পিনপিনিয়া গ্রামের অন্তত ৫ হাজার মানুষের জীবনযাত্রা। এ কারণে উচ্ছ¡সিত স্থানীয়রা।

ইউনিয়ন পরিষদ সুত্র জানায়, উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের ৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ব্রিকস ফ্ল্যাট সলিং দ্বারা সড়কটির উন্নয়নের কাজ করা হয়। পানি নিষ্কাশনে এ সড়কের মাঝে দু’টি কালভার্ট তৈরি করে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) ও ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।

স্থানীয় বাসিন্দা মোহরম আলী বলেন, ‘আমাদের গ্রামটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ছিল। ইউপি চেয়ারম্যানের উদ্দ্যোগে এ সড়কটি নির্মাণ হওয়াতে গ্রামের চিত্র পাল্টে গেছে। সাথে এখানকার মানুষের জীবনমান বৃদ্ধি পেয়েছে।’

কৃষক নুরুল আলম বলেন, এ সড়কটি দিয়ে হাটাচলা করাও দুঃসাধ্য ছিল। সড়কটি পাঁকা হওয়ায় গ্রাম্য মানুষের খুব উপকার হয়েছে। খুব সহজে চলাফেলা করতে পারি। মানুষের দীর্ঘদিনের দাবী পুরণ করায় ইউপি চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ জানান তাঁরা।

হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল হোসেন চৌধুরী বলেন, গ্রামটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলায় নিমজ্জিত ছিল। গ্রামের মানুষের দুভোর্গ লাঘবে প্রায় দেড় কি.মি সড়কটি নির্মাণ করা হয়েছে। আগামীতেও অবহেলিত মানুষের পাশে থাকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ
Theme Created By ThemesDealer.Com